নোবিপ্রবি প্রতিনিধি:
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে নতুন করে ২১ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ৬৮তম রিজেন্ট বোর্ডের অনুমোদনক্রমে ৮টি বিভাগ ও ২টি ইনস্টিটিউটে মোট ২১ জন শিক্ষককে এই নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।
বিভাগওয়ারী নিয়োগের তালিকা: নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে
অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ৩ জন প্রভাষক।
প্রাণিবিদ্যা ১ জন সহকারী অধ্যাপক ও ১ জন প্রভাষক।
বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ২ জন প্রভাষক।
বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি ২ জন প্রভাষক।
রসায়ন: ১ জন সহযোগী অধ্যাপক, ১ জন সহকারী অধ্যাপক ও ২ জন প্রভাষক।
পদার্থবিজ্ঞান: ১ জন প্রভাষক।
পরিসংখ্যান: ২ জন প্রভাষক।
সয়েল, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স: ১ জন সহকারী অধ্যাপক ও ১ জন প্রভাষক।
ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন সায়েন্স: ২ জন প্রভাষক।
ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি: ১ জন প্রভাষক।
নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী বলেন, “নিয়মতান্ত্রিক পরীক্ষা পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে গত ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত ৬৮তম রিজেন্ট বোর্ডের অনুমোদনক্রমে বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে এই ২১ জন শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।”
এ বিষয়ে নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, “নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের পদ্ধতি হিসেবে একাডেমিক এক্সিলেন্স, লিখিত পরীক্ষা, প্রেজেন্টেশন ও ভাইভা অনুসরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে নোবিপ্রবি এই পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা গবেষণা ও পাঠদানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। দীর্ঘদিনের শিক্ষক সংকট আমরা ধীরে ধীরে কাটিয়ে উঠছি, যদিও এখনও অনেক বিভাগে শিক্ষার্থী অনুপাতে শিক্ষক সংখ্যা কম। নতুন শিক্ষকদের আমরা স্বাগত জানাই এবং আশা করি তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা র্যাংকিং আরও এগিয়ে নিতে সহায়তা করবেন।”
একই সঙ্গে উপাচার্য ইউজিসির (UGC) প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, শিক্ষক সংকট থাকা বিভাগগুলোর তালিকা পাঠানো হয়েছে। সেই অনুযায়ী আরও শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক শিক্ষার মান উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থীরা একটি উন্নত একাডেমিক পরিবেশ পাবে।


