ads
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ভেড়ামারায় গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু: পলাতক স্বামী গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

অনলাইন সংরক্ষণ

ভেড়ামারায় গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু: পলাতক স্বামী গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

ভেড়ামারায় গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু: পলাতক স্বামী গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

ভেড়ামারায় গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় পলাতক স্বামী গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় গৃহবধূ রিয়া খাতুন মিথিলার (১৫) মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় পলাতক স্বামী বনি ইসরাফিল শাওনকে (২০) গ্রেফতার করেছে ভেড়ামারা থানা পুলিশ। গত সোমবার ২৩শে ফেব্রুয়ারি উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের গোলাপনগরে স্বামীর বাড়িতে নিজ শয়নকক্ষের ডাপের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। মিথিলা কুষ্টিয়ার জুগিয়া ভাটাপাড়ার বাসিন্দা চা দোকানে রতনের কন্যা। রতন সেদিনই ভেড়ামারা থানায় তার স্বামী শাওনকে মূল আসামি করে একটি আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলা করেন। সেই মামলাতেই তাকে আটক করে আদালতে হস্তান্তর করা হয়ে হয়েছে বলে ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান। কুষ্টিয়ার খবরকে জানান। এদিকে নিহতের পরিবারের দাবি, এটি একটি নিছক হত্যাকা-। এর সাথে তার পরিবারের সদস্যরাও জড়িত। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৪ মাস পূর্বে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ১৫ নং ওয়ার্ড যুগিয়া ভাটাপাড়ার বাসিন্দা চা দোকানী রতনের অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া ১৫ বছর বয়সী কিশোরী মিথিলার সাথে ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের গোলাপনগর এলাকার বাসিন্দা শফির ছেলে বনি ইসরাফিল শাওনের সাথে বিবাহ হয়। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি গিয়ে কিছুদিন পর মিথিলা জানতে পারে তার স্বামীর পূর্বের একটি বিয়ে হয়েছিল। যেটা তার কাছে গোপন করা হয়েছিল। এ বিষয়টি নিয়ে স্বামী, শশুরণাশুড়ির সাথে মিথিলার সম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে। প্রায় প্রতিদিনই মিথিলাকে তারা শারীরিক ও মানসিকভাবে অত্যাচার করত। তাকে বারংবার আত্মহত্যার প্ররোচনাও দেয়া হত। মৃতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২৩ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) ঘটনার দিন সন্ধ্যায় মিথিলা তার বাবাকে ফোন করে বাড়ি নিয়ে যেতে বলে। বাবা মেয়েকে আনতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে শশুর বাড়ি মারফত জানতে পারে তার মেয়ে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। মিথিলার পরিবার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহতের গলায় কোন ফাঁসের দাগ না দেখলেও গলার দুই পাশে খামচে ধরার ক্ষত এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের দাগ দেখে। তাদের ধারণা, মিথিলাকে নির্যাতন ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনা ভেড়ামারা থানা পুলিশকে জানালে তারা স্থলে পৌঁছে মৃতের সুরতহাল রিপোর্ট শেষে লাশ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে। পরবর্তীতে এজাহার নামীয় প্রধান অভিযুক্ত শাওনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায়। ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান কুষ্টিয়ার খবরকে বলেন, পুলিশ সুরতহাল সম্পন্ন করে মিথিলার মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে। তার বাবার করা আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় প্রধান আসামি মৃতের স্বামী শাওনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ

শিরোনাম