১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

উত্তেজনা ছড়ালো সিলেট-রাজশাহী

উত্তেজনা ছড়ালো সিলেট-রাজশাহী

কাগজে-কলমে খানিকটা সুযোগ ছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সামনে। চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে ৫ উইকেটে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেল দলটি। দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে ৫ রানে হেরেছে সিলেট টাইটান্স।

 

দিনের প্রথম ম্যাচে হারের শঙ্কা জাগায় চট্টগ্রাম রয়্যালস। ১২৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২৯ রানে হারিয়ে বসে ৪ উইকেট। সেখান থেকে দলকে টেনে তুলে জয় নিশ্চিত করেন শেখ মাহেদি ও আসিফ আলি। শেখ মাহেদি ৩৬ বলে ৪৯ ও আসিফ ৩০ বলে খেলেন ৩৬ রানের ইনিংস। এর আগে শরিফুল ইসলামের দারুণ বোলিংয়ে মাত্র ১২৬ রানে গুটিয়ে যায় নোয়াখালীর ইনিংস। ৯ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি। শরিফুলের দারুণ বোলিংয়ের আগে হাসান ঈসাখিল ও সৌম্য সরকারের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ভালো শুরু পেয়েছিল নোয়াখালী। তবে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি তারা। সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন হাসান ঈসাখিল।

 

দ্বিতীয় ম্যাচে শেষ ওভারে খেলা গড়ানোর আগে ম্যাচজুড়ে ছিল উত্তেজনা। দর্শকে পরিপূর্ণ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আসা দর্শকদের উসুল হয়েছে পুরো পয়সা। ৮ উইকেটে মাত্র ১৪৭ রানে থামে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ১৪৮ রানের ওই লক্ষ্য তাড়া করতে পারেনি সিলেট টাইটান্স। পারভেজ হোসেন ইমনের ৩০ বলে ৪১ রানে ভর করে ভালো শুরু পায় সিলেট। পরে ১২ বলে ২৭ রান করা মঈন আলী জয় একরকম নিশ্চিতই করে দিয়েছিল। তবে তানজিদ তামিমের দারুণ ক্যাচে আউট হওয়ায় থেমে যায় সিলেটের জয় ভাগ্য।

 

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১১ রান লাগলেও সেই লক্ষ্য আর তাড়া করতে পারেনি। ফলে ৯ উইকেটে ১৪২ রানে থামে সিলেটের ইনিংস। রাজশাহীর হয়ে ৩৪ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন রিপন মন্ডল। এর আগে মুশফিকুর রহিমের ৩০ বলে ৪০ ও নাজমুল হোসেন শান্তর ২১ বলে ৩৪ রানে ভর করে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স পায় ১৪৭ রানের সংগ্রহ। সিলেটের হয়ে ৩৭ রানে দুই উইকেট নেন শহিদুল ইসলাম।