চুয়াডাঙ্গা: আলমডাঙ্গা উপজেলাসহ চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর টেকনিশিয়ানরা বর্তমানে চরম সংকটে রয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের দাবি, অন্যান্য জরুরি সেবার কর্মীরা বিশেষ সুবিধা পেলেও ইন্টারনেট খাতের কর্মীরা এখনো সেই সুবিধার বাইরে রয়েছেন।
ইন্টারনেট সেবাদাতারা জানান, বর্তমান ডিজিটাল যুগে সরকারি-বেসরকারি প্রায় সব কার্যক্রমই ইন্টারনেটনির্ভর। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যাংকিং, প্রশাসনিক কাজসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে ইন্টারনেট অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। ফলে এই খাতকে জরুরি সেবার আওতায় আনা সময়ের দাবি।
তাদের অভিযোগ, চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে টেকনিশিয়ানদের নিয়মিত দায়িত্ব পালন ব্যাহত হচ্ছে। এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রাম, আবার এক থানা থেকে অন্য থানায় যাতায়াত করতে হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে সেবা সচল রাখা এবং জ্বালানি সংগ্রহ—এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কার্নিভাল ইন্টারনেট এর জোন ইনচার্জ
মোহাম্মদ ইউনুছ আলী বলেন। শুধু আলমডাঙ্গা নয়, সমগ্র চুয়াডাঙ্গা জেলাজুড়েই আমাদের টেকনিশিয়ানরা কার্যত কর্মবিরতির অবস্থার দিকে ধাবিত হচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা বড় ধরনের সংকটে আছি। আমাদের যদি জরুরি সেবার আওতায় এনে প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত না করা হয়, তাহলে বাধ্য হয়ে আনুষ্ঠানিক কর্মবিরতিতে যেতে হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হলে উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিসসহ জরুরি কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এ অবস্থায় দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা।