২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর মেয়ের ওপর জামায়াত নেতাকর্মীর হামলা, দ্রুত গ্রেফতার দাবি

ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর মেয়ের ওপর জামায়াত নেতাকর্মীর হামলা, দ্রুত গ্রেফতার দাবি

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান আজ ২৮ জানুয়ারি, বুধবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ভোলা-৪ (মনপুরা ও চরফ্যাশন) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী একেএম কামাল হোসেনের মেয়ে মারিয়া কামালের ওপরে দাড়িপাল্লার কর্মীরা যে বর্বরোচিত হামলা করেছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু ও উৎসবমূখর রাখতে এই হামলার সাথে জড়িত অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।

অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে বলেন, আজ ২৮ জানুয়ারি, বুধবার সকাল নয়টা-সাড়ে নয়টার দিকে মারিয়া কামালের নেতৃত্বে ৫-৭ জনের একটি নারী দল পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডে দাওয়াতি কাজ করছিলেন। প্রার্থীর ছেলে মুহাম্মাদ তাশফিন ও জেলা যুব আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা ফয়সাল আহমাদ সাথে ছিলেন। দাওয়াতি কাজের এক পর্যায়ে মোঃ সোহেল হাওলাদার, পিতা-ফজলুল হক হাওলাদার ও আলাউদ্দিন, পিতা-জাকির নামীয় দুই ব্যক্তি জামায়াতে ইসলামী ও দাড়িপাল্লার পক্ষ হয়ে বাঁধা প্রদান করে এবং প্রার্থীর ছেলে তাশফিন জেলা যুব আন্দোলনের সেক্রেটারিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। একপর্যায়ে প্রার্থীর মেয়ে মারিয়া কামালকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। বিষয়টি বড় আকার ধারণ করার আগেই মারিয়া কামাল পরিস্থিতি সামলে নিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে পরিবর্তিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এই ধরণের আচরণ কোনভাবেই প্রত্যাশিত ছিলো না। বিশেষ করে ইসলাম নামধারী একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই ধরণের আচরণ আমাদেরকে বিস্মিত ও ক্ষুদ্ধ করেছে। আমরা প্রশাসনের প্রতি আহবান জানাবো, অবিলম্বে অপরাধীদের গ্রেফতার করুন। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনুন। একই সাথে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দকে বলবো, আপনাদের কর্মীরা একজন নারীর গায়ে হাত তোলার সাহস ও শিক্ষা কোথা থেকে পায়? এই ধরণের উচ্ছৃঙ্খল কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। অন্যথায় সৃষ্ট পরিস্থিতির জন্য আপনারাই দায়ী থাকবেন।